অনলাইন ডেক্স:
রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজ এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের নির্মাণাধীন স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির একটি ভিডিওবার্তায় বিষয়টি তুলে ধরলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
তবে পুলিশের ভাষ্য, এ ঘটনার সঙ্গে চাঁদাবাজির কোনো সম্পর্ক নেই। মূলত জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও হামলার মূল লক্ষ্য ছিল না বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট অঞ্চলের সহকারী কমিশনার (এসি) নাজমুল আলম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেডের সঙ্গে পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। এখানে চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি। সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও টার্গেট ছিল না।’
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ৩৫ কাঠা জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরী এবং নিউগিনি প্রপার্টিজের মালিক নাজিম উদ্দিনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জের ধরেই মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীর পক্ষের লোকজন নিউগিনি প্রপার্টিজের ভেতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
হামলার সময় সালমান মুক্তাদিরের নির্মাণাধীন স্টুডিওর বিভিন্ন সরঞ্জাম, কক্ষের আসবাবসহ নানা জিনিসপত্র ভাঙচুর ও লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্টুডিওতে থাকা সিসি ক্যামেরা ও অন্যান্য যন্ত্রপাতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে কেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা চালানো হলো এবং এর পেছনে কী কারণ—তা নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা চলছিল। পুলিশের বক্তব্যে এখন পর্যন্ত জমি-সংক্রান্ত বিরোধকেই ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার বিস্তারিত কারণ, হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।


