Homeসারাদেশজেলার খবরশিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর ঘরে পুঁতে রাখা, ধর্ষকের ফাঁসির দাবি

শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর ঘরে পুঁতে রাখা, ধর্ষকের ফাঁসির দাবি

রাজন্য রুহানি, জামালপুর :
জামালপুরের মাদারগঞ্জে মরিয়ম বুশরা (৭) নামে প্রথম শ্রেণির শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে বসতঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখার ঘটনায় গ্রেপ্তার জামিনুর ইসলামের (৩২) ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। নিহত শিশুটি সিধুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।

১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে উপজেলা চত্বরে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধ কর্মসূচি থেকে এ দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় বিচারের নামে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত বিচারের দাবিও জানান শিক্ষকরা।

কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ অংশ নেয় প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ১০ সেপ্টেম্বর সকালে শিশু মরিয়ম বুশরা স্কুলে গিয়ে আর বাড়ি ফিরতে পারে নি। লম্পট জামিনুর তাকে ফুসলিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। আলামত নষ্ট এবং ঘটনা ধামাচাপা দিতে শিশুটিকে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে পুঁতে ফেলা হয়। ১২ সেপ্টেম্বর জামিনুরের বসতঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা অবস্থায় মরিয়ম বুশরার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ধর্ষণ শেষে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এর আশপাশের এলাকায় শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও জানান তারা।

মানববন্ধনে চরপাকেরদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, পশ্চিম তারতাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুজাহিদুল ইসলাম, ঘোনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাদিউজ্জামান, বালিজুড়ী আর এ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম, খিলকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুন এবং সুখনগরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকারিয়া আলমসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বক্তব্য দেন।

এ ঘটনায় জামিনুর ইসলাম, স্ত্রী সবুজা বেগম ও অজ্ঞাতপরিচয় ২/৩ জনকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত শিশুটির বাবা। গত ১৩ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত জামিনুর ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার কথা স্বীকার করেছেন।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments