লাকসাম প্রতিনিধি:
কুমিল্লার লাকসাম পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর কাউন্সিলর প্রার্থী মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে ঘিরে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি একজন সৎ, ন্যায়পরায়ণ, দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে নিজ এলাকায় পরিচিত বলে তার সমর্থকরা দাবি করছেন।
৬নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, অসহায় মানুষের সহযোগিতায় এগিয়ে আসা এবং এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি ভোটারদের কাছে পরিচিত মুখ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
জাহাঙ্গীর আলমের সমর্থকদের ভাষ্য, একজন জনপ্রতিনিধির মূল দায়িত্ব হলো জনগণের কথা শোনা এবং নাগরিকদের সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করা। সে লক্ষ্যেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচিত হলে ৬নং ওয়ার্ডের রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিচ্ছন্নতা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নাগরিক সেবা সহজীকরণ এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে অগ্রাধিকার দিতে চান তিনি।
এলাকার তরুণদের বিভিন্ন ইতিবাচক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি এবং ওয়ার্ডবাসীর মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রার্থী।
মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “৬নং ওয়ার্ডের মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে আমি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। জনগণ আমাকে নির্বাচিত করলে দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করতে চাই। ওয়ার্ডবাসীর নাগরিক অধিকার ও ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, জনপ্রতিনিধি হওয়া তার কাছে ব্যক্তিগত অর্জনের বিষয় নয়; বরং এটি জনগণের সেবা করার একটি সুযোগ। তাই নির্বাচিত হলে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
স্থানীয় ভোটারদের মতে, নির্বাচনে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, জনসম্পৃক্ততা, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফলে লাকসাম পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের প্রার্থিতা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হলে প্রার্থীদের গণসংযোগ, মতবিনিময় ও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ৬নং ওয়ার্ডের নির্বাচনী পরিবেশ আরও জমে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত ভোটাররা তাদের মূল্যবান ভোটে কাকে প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়।


