শেরপুর প্রতিনিধি :
গত রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দফায় দফায় ভারি বর্ষণে সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরের পাহাড়ি নদীগুলোতে ঢল নেমেছে। এরমধ্যে নালিতাবাড়ীর চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদ সীমার ২০৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যান্য নদীগগুলোর পানিও বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই অবস্থা।
এছাড়াও ভোগাই ও চেল্লাখালী নদীর বিভিন্ন স্থানে বাঁধের ভাঙন দেখা দিয়েছে। চেল্লাখালী নদীর গোল্লারপাড় অংশে দুই বছর আগে বন্যায় বিধ্বস্ত প্রায় একশ মিটার ভাঙা অংশ দিয়ে ঢলের পানি প্রবেশ করছে নিম্নাঞ্চলে। এছাড়াও মহারশি নদীর বাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করছে ঢলের পানি। পাহাড়ি নদীর সোমেশ্বরীর পানিও বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই। অপর পাহাড়ি নদী কর্ণঝোড়া দিয়ে প্রবল বেগে পাহাড়ি ঢলের পানি ছুটে চলছে। পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে পানিও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্যমতে, গত কয়েক ঘন্টায় শেরপুর সদরে ১৩৬ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ১১০ মিলিমিটার এবং নাকুগাঁও পয়েন্টে ১০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে চেল্লাখালী নদীতে পাহাড়ি ঢলের পানির তোড়ে শেরপুর-নালিতাবাড়ী ভায়া গাজীরখামার সড়কের গোল্লারপাড় এলাকায় পাকা সড়কের বেশকিছু অংশ বিধ্বস্ত হয়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এই সড়ক দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।


