শেরপুর প্রতিনিধি:
টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) রাতভর ও সকাল পর্যন্ত দফায় দফায় বৃষ্টির কারণে জেলার পাহাড়ি নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করছে ঢলের পানি । এতে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদসীমার ৩২৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। প্রবল স্রোতে নদীর বিভিন্ন স্থানে বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গোল্লারপাড় এলাকায় দুই বছর আগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ১০০ মিটার বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে ঢলের পানি আশপাশের নিম্নাঞ্চলে ঢুকে পড়ছে। একই সঙ্গে মহারশি নদীর বাঁধ উপচে বিভিন্ন এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। ঝিনাইগাতি বাজারেও ঢলের পানি ঢুকে পড়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
এদিকে পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে শেরপুর-নালিতাবাড়ী-গাজীরখামার সড়কের গোল্লারপাড় এলাকায় পাকা সড়কের কিছু অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে এ সড়কে ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে এবং বিকল্প পথে চলাচল করতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, একই স্থানে প্রায় প্রতি বছর পাহাড়ি ঢলের আঘাতে বাঁধ ভেঙে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ না থাকায় বারবার একই দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তারা দ্রুত জরুরি ভিত্তিতে টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাত বন্ধ হলে নদীর পানি ধীরে ধীরে কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।


