Homeসারাদেশজেলার খবরলাকসাম পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী সাইফুল ইসলাম খোকন

লাকসাম পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী সাইফুল ইসলাম খোকন

লাকসাম প্রতিনিধি: আসন্ন লাকসাম পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ৭নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন মো. সাইফুল ইসলাম খোকন। ২২ আগস্ট ২০২৬ লাকসাম পৌরসভা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জামায়াতের ওয়ার্ড প্রতিনিধি সম্মেলনে ৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়।

সম্মেলনে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেটসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে লাকসাম পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ৭নং ওয়ার্ডের জন্য মো. সাইফুল ইসলাম খোকনের নাম ঘোষণা করা হয়।

সাইফুল ইসলাম খোকনকে ঘিরে ৭নং ওয়ার্ডে ইতোমধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে তাঁর সামনে মূল চ্যালেঞ্জ হবে ওয়ার্ডের ভোটারদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ তৈরি করা এবং স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা ও সমস্যাগুলোকে নির্বাচনী পরিকল্পনায় গুরুত্ব দেওয়া।

স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাধারণত এলাকার রাস্তা-ঘাট, জলাবদ্ধতা, পরিচ্ছন্নতা, পানি নিষ্কাশন, মাদক ও অপরাধ প্রতিরোধ, নাগরিক সেবা এবং তরুণদের কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এসব বিষয়ে একজন কাউন্সিলর প্রার্থীর বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ভোটারদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য হতে পারে।

সম্মেলনে জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের প্রার্থীরা জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হলে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের সমস্যা সমাধানে কাজ করবেন এবং মানবিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবেন।

এদিকে লাকসাম পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বদিউল আলম সুজনের নামও এর আগে ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে পৌরসভার নয়টি সাধারণ ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে সাইফুল ইসলাম খোকনের নাম ঘোষণার পর এখন তাঁর নির্বাচনী কার্যক্রম কীভাবে এগোয়, ওয়ার্ডবাসীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কী ধরনের পরিকল্পনা তিনি তুলে ধরেন এবং ভোটারদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ কতটা বিস্তৃত হয়—সেদিকেই নজর থাকবে স্থানীয়দের।

তবে নির্বাচনের ফলাফল নির্ভর করবে ভোটারদের সিদ্ধান্তের ওপর। প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি, অতীতের সামাজিক ভূমিকা, ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা এবং এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তাঁদের পরিকল্পনা বিবেচনা করেই ভোটাররা তাঁদের পছন্দের প্রার্থী বেছে নেবেন।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments